'ক্ষণজন্মা প্রেরণার বাতিঘর প্রিয় আবরার'
অসহ্য মনোবেদনা, প্রচণ্ড হৃদয়ের রক্তক্ষরণ থেকেই এ লেখার অবতারণা।
প্রথমত,
আল্লাহপাক কোন শুভ কাজের সূচনা করার জন্য আবরারের মতো মেধাবী, চরিত্রবান বাগানের শ্রেষ্ঠ গোলাপগুলোকে বাছাই করেন। হতে পারে, এ জাতির দীর্ঘদিনের আকাঙ্ক্ষা পূরণের জন্য মহান আল্লাহপাক ভারতীয় আগ্রাসন রোধে আবরারকে দুনিয়াবী উপকরণ হিসেবে গ্রহণ করেছেন যদিও তিনি কোন কিছু বাস্তবায়নে উপকরণের মুখাপেক্ষী নন। আবরার তাঁর পবিত্র রক্ত দিয়ে ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিপক্ষে এ দেশের সার্বভৌমত্বের পক্ষে ত্যাগের স্বাক্ষর রেখেছেন।এঁকেছেন তারুণ্যের নবউদ্দীপনা।
দ্বিতীয়ত,
যারা মনে করেন আবরার মরে গেছে তারা আসলেই ভুলের মাঝে নিমজ্জিত বরং আবরার স্বাধীনতা,স্বার্বভৌমত্বের অতন্দ্র প্রহরী হিসেবে লক্ষ প্রাণের সঞ্চারে অমৃত বীজ বপন করে গেছেন যা সময়ের ব্যবধানে,জাতির প্রয়োজনে আপন রূপে দৃশ্যমান হবে ইনশাআল্লাহ।
তৃতীয়ত,
যারা বাংলাদেশের হাজার বছরের ইতিহাস জানেন না তারা হয়তো মনে করতে পারেন এ জাতি আপোষকামী। কিন্তু, শত ঘোলাটে পরিস্থিতিতে ও আমার জাতি আল্লাহর কৃপায় নতুন নতুন আবরারের চিত্র প্রদর্শনীতে কখনও পিছপা হয়নি। মনে রাখা দরকার, রাত যত গভীর হয় ভোর তত নিকটে আসে। পাকিস্তানীরা যখন শোষণ-বৈষম্যের সীমা ছাড়িয়ে গিয়েছিল এ দেশের আমজনতা তীব্র প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিল, ঠিক তদ্রুপ আজকে ভারতীয় আধিপত্যবাদ ও তীব্রতার শেষ সীমানায় অবস্থান করতেছে । ইনশাআল্লাহ শতাব্দীর এই ঘৃণ্য আগ্রাসনবাদীদের ওপর ও আমার জাতি নিকট ভবিষ্যতে তীব্র প্রতিরোধ গড়ে তুলবে ।
সর্বশেষ,
ইসরায়েলীরা দখলদার হয়েও যদি মধ্যপ্রাচ্যে আপন অবস্থান অটুট রাখতে সক্ষমতা প্রদর্শন করতে পারে, আমরা ভূমিপুত্র হয়েও কেন আপন মাতৃভূমির জন্য ভুমিকা রাখতে পারব না? যে জাতির রয়েছে আবরার,রয়েছে সালাম,বরকত,নজরুল,তিতুমীরের মত বীর সৈনিকদের মাতৃভূমির জন্য সহস্র ত্যাগের কাহিনী।
এ জাতি চির বিজয়ী, চির দুর্বিনীত, চির আপোষহীন।

মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন